রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

!!! মৃত্যু পরোয়ানা !!!

!!! মৃত্যু পরোয়ানা !!!

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এই বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক , সকল ক্ষমতার উৎস মহান রাব্বুল আলামিন মৃত্যু পরোয়ানা জারী করেছিলেন প্রত্যেক মাখলুকাতের জন্য ।

সকল সৃষ্টিই মরণশীল, অর্থাৎ আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সকল সৃষ্টি একদিন ধ্বংস হইবে , প্রত্যেক জীবনেকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হইবে । আর এটাই সঠিক এবং সত্য মৃত্যু পরোয়ানা ।

আজ যারা কাদের মোল্লার মৃত্যু পরোয়ানা জারী করে খুশি হচ্ছেন , তারা কি জানেন তাদের মৃত্যুর পরোয়ানাও তাদের ঠিক গাঢ়ের উপর এসে উপস্থিত হয়েছে ।

পরোয়ানা দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ । আর আল্লাহ সেটা ১৪০০ বছর আগেই করে দিয়েছেন ।

যার বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারী করা হলো , তিনি তো আগের থেকে আল্লাহর প্রেরিত পরোয়ানা পেয়ে গেছেন , তাই  ----
ফাঁসির রায়ের পর আব্দুল কাদের মোল্লাকে রায় শুনানোর পর মৃত্যুদন্ডের কথা শুনে প্রথমেই তিনি বলে ওঠেন 'আলহামদুলিল্লাহ ............. আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ রাব্বুল আলামীন'।

অর্থাৎ একজন বীর ইসলামী আন্দোলন করার অপরাধে , জালেমের আঘাতে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়াকে নিজের সফলতা বলে খুশি হচ্ছেন । শহীদ হয়ে আল্লাহর কাছে যাওয়া একজন ঈমানদারের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা ।

জনাব কাদের মোল্লাকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি  দৃঢ় এবং ব্জ্র কণ্ঠে বলেন , "  "আপিলের রায়ের পর রিভিউ করা হোক বা না হোক আমি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবনা এটাই আমার সিদ্বান্ত।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবুওয়াতের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন কিন্তু শাহাদাতের দরজা খুলা রেখেছেন। যতদিন ইসলামী আন্দোলনে শাহাদাতের ঘটনা ঘঠবে ততদিন ইসলামী আন্দোলন বেগবান হবে, আল্লাহ যাদেরকে চান তাদেরকেই শহীদ হিসেবে কবুল করেন।
আমি যদি মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ হিসেবে অন্তভুক্ত হই, সেটাই হবে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ পাওনা। সুতরাং, মৃত্যুদন্ডের ভয়ে আমি ভীত নই। আসল ফয়সালা হবে আখেরাতের আদালতে।
 আজকের বিচার সেদিন আমার মুক্তির কারণ হবে। মহান আল্লাহর কাছে আমি সেদিন অবশ্যই ন্যায় বিচার পাবো।
আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও এদেশের মানুষ একদিন মুক্তি পাবে। আল্লাহর দ্বীন এখানে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সকল জুলুমের অবসান ঘটবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে আল্লাহর দ্বীনের বিজয় কামনা করছি"।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন