বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

মিশরের ইসলাম পন্থি দল এবং ইসরাইলী ষড়যন্ত্র .

মিশরের ইসলাম পন্থি দল এবং ইসরাইলী ষড়যন্ত্র .















নীলনদের এই তীরে ইসলামী জাগরণের ইতিহাস ঐতির্য্য এমনভাবে ধারন করা আছে যে , কেউ ইচ্ছে করলে সেই ইতিহাস মুছে দিতে পারবেনা । আল্লাহ সুবাহানাহু ওতাআ’লা যেই ভূখণ্ডকে
কবুল করেছেন ইসলামের বুনিয়াদ হিসেবে সাধ্য কার তা বিলিন করার ।

 হযরত দাউদ (আ) , হযরত ইউছুফ (আ) ,হযরত মুসা (আ) এর মিশর এখনো সাক্ষী হয়ে আছে ইসলামের বুনিয়াদের ইতিহাসকে ঘিরে !
 ফেরাউন থেকে শুরু করে অধ্যাব্দি শত শত ফেরাউনরা আল্লাহর রশ্মিকে মিশরের বুক থেকে মুছে দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে বহুকাল থেকে । বারবার পরাজিত হওয়া শর্তেও ফেরাউনদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি / হচ্ছে না । 

আল্লাহর রাসুল (সা) এড় চিঠি এখনো মিশরের ইসলামী জাগরণের সাক্ষী । অনেক নবী রাসুল জন্ম নিয়েছেন এই মিশরে । দাওয়াত দিয়েছেন আল্লাহর একত্ববাদের । উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে অনেকেই এই দাওয়াতী কাজকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন এবং করছেন । অনেককেই শহীদ হতে হয়েছে দাওয়াতী কাজের আঞ্জাম দিতে গিয়ে । আজও শহীদ হচ্ছে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে যেয়ে ।

তারই ধারাবাহিকতায় এই মরুর বুকে উম্মতে মুহাম্মদীর এক বলিষ্ঠ দায়ী জন্ম নিয়েছেন ১৯০৬ সালের ১৪ই অক্টোবর । সাইয়েদ কুতুব হাসান আল বান্না নামের সেই দায়ী শত সহস্র নির্যাতন এবং অপমান সহ্য করে ইসলামের আলোকে প্রজ্বলিত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন । কিন্তু ইসলামের দুষমনদের ষড়যন্ত্রের যাঁতাকলে পিষ্ঠ হয়ে বার বার জেল-জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন । তথাপি তিনি বিরত হননি ইসলামের আদর্শের দাওয়াত থেকে । তিনি জনগনের কাছে একটি বার্তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন , ইসলামের অনুশাসনই একমাত্র মুক্তির পথ । পাশ্চাত্যের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রভাবে কিভাবে মিশরের সমাজ ক্রমশ ভোগের দিকে ঝুঁকে পড়ছে তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন । ১৯২৮ সালে ৬ জন ইসলামী ব্যক্তিত্বের সহযোগিতায় হাসানুল বান্না (রহ: ) গঠন করেন “ইখওয়ানুল মুসলিমিন” সংগঠনটি । আর সেই সংগঠনের আমির নির্বাচিত হন স্বয়ং হাসানুল বান্না (রহ: )। সংগঠনটিকে সামাজিক ভিত্তি দিতে পুরো মিশর জুড়ে তিনি একইসঙ্গে সমাজকল্যাণ এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রচারের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। মিশরের প্রতিটি শহরে গড়ে ওঠে শাখা সংগঠন। দ্বীন ইসলামকে সবার নিকট উপস্হাপনের জন্য হাসানুল বান্না (রহ: ) মহিলাদেরকে নিয়ে আখওয়াত আল মুসলিমাত নামক সংগঠন গড়ে তোলেন । ইসলামের আদর্শ পৌঁছে যায় জনসাধারণের দোরগোড়ায় । সাধারণ জনগন ইসলামের আদর্শকে আলিঙ্গন করতে শুরু করে  ।

আর এতেই আরও ক্ষ্রীপ্ত হয়ে ওঠে জালিমের হাতিয়ার । এদিকে আরবের মাটিতে জন্ম নেয় ইহুদীবাদের ! ইসরায়েল নামের এক শয়তানের দোসরের । হাত মিলাতে শুরু করে জালিম , মুনাফেকরা । মিশরের ইসলামী জাগরণকে রুখতে গিয়ে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে ১৯৪৯ সালের ১২ ফ্রেব্রুয়ারী ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে এই ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সাইয়েদ কুতুব হাসান আল বান্নাকে শহীদ করার মাধ্যমে ইসলামের আলোকে নিবিয়ে দিতে চেয়েছিলো ।
কিন্তু ইসলাম কবুল করার মালিক আল্লাহ ।
 আল্লাহ মিশরের মাটিকে ইসলামের জন্য কবুল করে নিয়েছেন । প্রায় ৫৩ বছর পর ইসলামী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড মিশরের রাজনিতিতে ভুমিকা রাখতে শুরু করে । শুরু হয় আন্দোলন , একের পর এক পরাজিত হতে থাকে বাতিলের মসনদ ।
অবশেষে ২০১০ সালের ২৫ এ জানুয়ারী সংগঠিত হয় এক নতুন ইতিহাস । মিশরের আকাশের ধর্মনিরপেক্ষতার সূর্য অস্তমিত হতে শুরু করে । এবং ইসলামী আদর্শ বুকে ধারন করে মিশরের আকাশে কালিমার পতাকা উত্তোলন করেন একদল উদ্দীপ্ত নওজোয়ান । শুরু করার ইচ্ছা পোষণ করেন আরবে ইসলামী বিপ্লব । পৌঁছে দিতে চেয়েছেন দুনিয়াব্যাপি ইসলামের বার্তা ! সকল জালিমদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন অন্যায় এবং অবিচার বন্ধ করার আহ্বানের মাধ্যমে । 
কিন্তু জালিমরা বসে থাকেনি , তাঁরা শুরু করেন নতুন ষড়যন্ত্র । যাতে সাথী হিসেবে আরবের কিছু ক্ষমতালোভী রাষ্ট্রনায়ক এবং মুনাফেক  ।
যাদের মূলে থাকে ইসরায়েল নামের সেই জালেমরা  । অর্থ এবং বিভিন্ন লোভনীয় শর্তে কিনে নেয়  ইসলামের নামধারী  মুনাফেকদের । 

শুরু করে ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র। গনতান্ত্রিক পন্থায় জনগনের ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রনায়ককে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য হাজার হাজার ডলার ব্যয় করার মিশন নিয়ে মাঠে নামে ইস্রায়েল  । তাদের একটাই ভয় যদি সত্যি সত্যি মিশরে ইসলাম কায়েম হয়ে যায় তবে , মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কোন ক্ষমতাই থাকবে না । ধূলিসাৎ হয়ে যেতে হতে পারে যেকোন সময় ! মুসলিমদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে ইহুদী বিনাস করতে শুরু করে দিতে পারে । আর তাই মিশরকে টার্গেট করে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চাইছে ইস্রায়েল । যাতে ইসলামী দলকে মিশরের মানুষের কাছে অগ্রহণ যোগ্য করে তুলতে পারে ।
কিছু অর্থলোভী কাপুরুষ এতে সাড়াও দিয়েছে । আর তাতেই ইস্রায়েলিরা  মিশরের বিরুদ্ধে শুরু করেছে বিশ্বব্যাপি প্রচারনা ।

কিন্তু লক্ষ লক্ষ ইসলাম প্রিয় তাওহিদি জনতা নিজের জীবন দিয়ে হলেও সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় প্রস্তুত হয়ে গেছে । বজ্রকন্ঠে আওয়াজ আসছে , আমরা জীবন দেবো কিন্তু ইসলামকে ভুলন্ঠিত হতে দেবো না ।
 আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করবো ,  না হয় হাসি মুখে মরবো । বাতিলের কাছে মাথা নত করবো না ।

মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০১৩

একজন সাধারণ মানুষের অভিমত !


একজন সাধারণ মানুষের অভিমত !
 

বাসে করে যাচ্ছি আমার এক বন্ধুর


সাথে দেখা করতে । প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগবে , তাই ১ ঘণ্টা বসে থাকার প্রস্তুতি নিয়েই উঠেছি । আমার পাশের ভদ্রলোক বসে বসে কি জানি ভাবছেন , তাই আমিও তাকে বিরক্ত করতে আগ্রহী নই । লোকটা বয়সে আমার অনেক বড় হবে । তা প্রায় ১০-১২ বছরের প্রার্থক তো হবেই ।
যাই হোক ড্রাইভার হিন্দি গান শুনাচ্ছে সবাইকে, আমি কিছুটা অপ্রস্তুত ছিলাম হিন্দি গানের জন্য ,
আমি তাকে অনুরোধ করলাম , ভাই গানটা বন্ধ করেন প্লিজ । প্রয়োজনে বাংলা গান লাগান ।
সবাই আমার দিকে এমন ভাবে তাকালেন দেখে মনে হয় আমি কোন বড় ধরনের অপরাধ করে ফেলেছি ।
যাই হোক আমি নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলাম , অবশ্য ড্রাইভার এতক্ষণে বাংলা গান লাগিয়েছেন এবং একটা গান বাজনোর পর বন্ধ করে দিলেন । আমার পাশের লোকটি আমাকে বললেন , ভাই আসলে হিন্দি গানটা আমারও পছন্দ না , কিন্তু কি করবো ? আমার কথা কেইবা শুনবে ?
আমি বললাম কেন আমি বলার সাথে সাথেই শুনেছে , আপনিও বল্লেও শুনতো !
তিনি বললেন না ভাই আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের কথা কেউ শুনে না ।
# ভাই , আমাকে দেখে কি অসাধারণ মনে হয় ? তাছাড়া আমি কি কোন হুমকি দিয়েছি ? আমিতো অনুরোধ করেছি মাত্র । আপনি বললেও ড্রাইভার শুনতো ।
** হঠাৎ প্রশ্ন , আপনি কি রাজনীতি করেন ? কোন দল করেন ?
# না ভাই , গান বন্ধ করার জন্য রাজনীতি করা লাগে না , সে বন্ধ না করলেও আমার কিছু করার নাই , আমি আমার কথা তাকে বলেছি । বলাটা আমার অধিকার ।
** এইতো , যা ভেবেছিলাম তাই ! আপনি রাজনীতি করেন ।
# আরে ভাই আমার অধিকারের সাথে রাজনিতির কি সম্পর্ক ?
** আছে ভাই এই দেশে শুধু মাত্র তাদেরই অধিকার আছে , যারা রাজনীতি করে । আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের কোন অধিকার নাই ।আমরা শান্তি প্রিয় মানুষ । কারো আগেও নাই কারো পিছেও নাই । দেশের চিন্তা করার জন্য রাজনীতিবিধরাই যথেষ্ট । অধিকারও শুধু তাদের , আমাদের কিছুই নাই । আমরা সাধারন মানুষ রাজনীতি বুঝি না । আমাদের চারটা খেতে পারলেই চলে । আমরা একরকম কলুরবলদ । ............ ইত্যাদি ইত্যাদি ।
# না ! আপনারা কলুরবলদ না , আমার তো মনে হয় আপনিই কলুরবলদ !
** মানে ?
# মানে আর কি , আগে নিজে ঠিক হন , তার পর নিজেদের কথা ভাববেন । আপনি এখন বাসে করে যেই জায়গায় যাচ্ছেন , ধরুন বাস সেই জায়গার উপর দিয়েই যাবে কিন্তু তারপর আপনাকে আগের ষ্টেশনে নামিয়ে দেবে , আপনি কি করবেন ?
** এটা কোন কথা বললেন , আমি ভাড়া দিয়েছি না ? আমাকে নামিয়ে দেয়ার ক্ষমতা আছে নাকি ঐ ড্রাইভারের ? ব্যাটায় কইলেই হবে নাকি ?
# কেন ভাই , তবে আপনি কি রাজনীতি করেন ?
** না মানে , আমাকে নামিয়ে দেবে আর আমি চুপচাপ নেমে যাবো এটা কি করে হয় । আমি যেই জায়গার ভাড়া দিয়েছি ঠিক সেই জায়গায় নামবো ।
# এবার বুঝুন , রাজনীতি না করেও নিজের পাওনাটা ঠিকই আদায় করতে চাইছেন ! এটা কি ঠিক হবে বলেন ?
** জি ...............
# হ্যাঁ , আপনার পাওনাটাই আপনার অধিকার । এই অধিকারে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না । আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক , আমার কতগুলো মৌলিক অধিকার আছে । এই অধিকারের জন্য আমি অবশ্যই চেষ্টা করবো । সব অধিকার হয়তো পাবো না কিন্তু তাই বলে চুপ করে অন্যায়ের কাছে মাথা নত কেন করবো ? অবশ্য এখন আমাদের দেশ যারা পরিচালনা করেন তারাই আমাদের অধিকার বেশী খর্ব করেন । আসলে তাঁদেরও দোষ নেই , কারন তাদের হাতে আমরাই আমাদের অধিকার গুলো তুলে দেই ।
** হুমমম............... আপনার কথা ঠিকই আছে কিন্তু কি দরকার ঝামেলায় জড়ানোর ?
# কোনটাকে ঝামেলা বলছেন ? এই ঝামেলা সৃষ্টির জন্য আমি-আপনিই দায়ী । কেন আমরা বার বার তাদেরকে নির্বাচিত করি , যাদের হাতে আমরা , আমাদের সন্তানরা নিরাপদ নই ? আপনি একজন সাধারণ নাগরিক ! ,আপনার অন্ন , বস্র, বাসস্থান, শিক্ষা , চিকিৎসা যদি নিশ্চিত না হয় তবে আপনি কেন চুপ করে থাকবেন ? ক্ষমতা দিয়েছেন আপনি , তাই জবাব চাইবেন আপনিই ।
** তা তো অবশ্যই ।
# মাসে আপনার ইনকাম কত ? আর খরচ কত ?
** ভাইরে সেটা বলে আর লাভ কি ? নুন আনতে পান্তা পুরায় আর কি ?
# কেন ? আপনি কি সুন্দরভাবে জীবন অতিবাহিত করতে চান না ? আপনি কি বর্তমান চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতে চান না ?
** চাইলেই কি আর সব হয় ?
# হওয়া কি উচিৎ নই ? দেখুন ৫-৬ বছর আগে আপনার যেই বেতন এখনও সেই বেতন / নাম মাত্র মুল্যে বেতন বাড়িয়ে আপনার থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে আপনার সমস্ত রোজগার ! ৫-৬ বছর আগে যেই চাল আপনি ১৪-২০ টাকায় পেয়েছেন এখন কেন সেই চাল ৪০-৫০ টাকায় কিনছেন ?

** কি করবো ভাই , খেতে তো হবেই , তাই না ?

# খেতে হবে তা ঠিক আছে কিন্তু আপনার রোজগার অনুযায়ী আপনাকে পণ্য সরবরাহ যারা করতে পারে না , আপনি কেন তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেন না ? কেন আপনি চুপ করে আছেন ।
** ভাই আমি কথা বলতে গেলেই তো রাজনীতি গন্ধ খোঁজা হবে ?
#খুঁজুক , যারা যে ভাবেই নিক আপনার অধিকার আদায় করতে হলে আপনাকেই কথা বলতে হবে , এগিয়ে আসতে হবে ,আওয়াজ তুলতে হবে । যেই ভাবে ১৯৫২ , ১৯৭১ এ আমরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে আওয়াজ তুলেছি এবং আমাদের অধিকার আদায় করে নিয়েছি ঠিক তেমনিভাবে এখনও আমাদেরকে আওয়াজ তুলতে হবে । এতে যদি কেউ মনে করে এটা রাজনীতি তবে তাই করুক ।
# আপনি কি বলেন ?
** তা তো ঠিক আছে , কিন্তু আমি একা আওয়াজ তুললেই বা কি হবে ?
# এক থেকেই একশ হয় । আপনি শুরু তো করুন , দেখবেন আপনার সাথে কত লোক আসে ? অনেকেইতো আওয়াজ তুলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন , তাদের সাথে আপনিও আসুন । আওয়াজ তুলুন । আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে , আমাদের অধিকার নিয়ে । আমরা পেতে চাই আমাদের মৌলিক অধিকার । কথা বলার অধিকার , বেঁচে থাকার অধিকার ,অন্যায়ের প্রতিবাদের অধিকার ।

** এই কথা টা ঠিক । আমরা যদি সময় মতো আওয়াজ তুলতাম , প্রতিবাদ করতাম তবে দেশে এতো দুর্নীতি হতো না ।এতো সন্ত্রাস হতো না । সবাই জবাব্দিহিতার দয়ে অস্থির থাকতো । দেশ এগিয়ে যেতো । আমরাও একটা সুন্দর সমাজ পেতাম ।

** আজ আমার চোখ খুলে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । আর কেউ আসুক না আসুক আমি এখন থেকে নিজের অধিকার নিয়ে কথা বলবোই । আওয়াজ তুলবোই । আমার অধিকার , আমার সন্তানের অধিকার , শিখার অধিকার , বলার অধিকার , লিখার অধিকার , আমার মৌলিক অধিকার চাই ।

আমি আমার গন্তব্যে এসে গেলাম এবং বিধায় নিয়ে নেমে পড়লাম বাস থেকে । কিন্তু সেই লোকটাকে এখন ভুলতে পারিনি যে শুধু নেতৃত্বের অভাবে রাজপথে দাঁড়াতে পারছে না , নিজের কথা গুলো বলতে পারছে না ।