শুক্রবার, ৫ জুন, ২০১৫

ইসলামী আন্দোলন করা কি জরুরী ? না করলে কি গুনাহ হবে ?

ইসলামী আন্দোলন করা কি জরুরী ? না করলে কি গুনাহ হবে ।
ইসলাম এবং আন্দোলন না বুঝলে ইসলামী আন্দোলনও বুঝা যাবে না ।
ইসলামঃ আল্লাহ প্রদত্ত রাসুল(সা) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী চলার পথ ইসলাম , আর যে ব্যাক্তি ইসলাম মেনে চলে তাকে বলা হয় মুসলিম । মুসলিম শব্দের অর্থ হচ্ছে আত্মসমর্পণ কারী । অর্থাৎ যে ব্যাক্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আত্মসমর্পণ করে, মনে প্রানে মেনে নেয় যে, এই জমিন আল্লাহর , এই দুনিয়া আল্লাহর , আমিও আল্লাহর একটি সৃষ্টি এবং একদিন আমাকে ফিরে যেতে হবে তার কাছে, তাকেই মুসলিম বলা হয় ।
আল্লাহ বলেছেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَঅর্থাৎঃ হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।
মানে ইমানদার হলেই কেউ মুসলিম হয়ে যায় না , আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইমানদারদেরকে বলছেন মুসলিম হতে ।

আন্দোলনঃ
যেকোন দাবী / মতবাদ/ আদর্শ প্রতিষ্ঠা / অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সগ্রাম করাকে আন্দোলন বলা হয় ।
ইসলামী আন্দোলন মানে হচ্ছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম । আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেনঃ
ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ [النحل : 125]
ডাক , তোমার রবের পথের দিকে হিকমত ও উত্তম নসীহতের সাথে। (আন নাহল:১২৫)
কোরআনে বলা হয়েছে:
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا (45) وَدَاعِيًا إِلَى اللَّهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجًا مُنِيرًا [الأحزاب : 45 ، 46]
হে নবী! আমরা তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শকরূপে এবং খোদার নির্দেশে তাঁর প্রতি আহ্বানকারী ও উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।
إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَى مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنْفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ وَمَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُمْ بِهِ وَذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ [التوبة : 111]
সন্দেহ নেই আল্লাহ তায়ালা ঈমানদারদের জান ও মাল বেহেশতের বিনিময়ে খরিদ করে নিয়েছেন, এখন তাদের একমাত্র কাজ হলো আল্লাহর পথে লড়াই করা, সংগ্রাম করা। পরিণামে জীবন দেয়া বা জীবন নেয়া।(সূরা আত তাওবা ১১১)
এর থেকে প্রমাণিত যে ইসলামী আন্দোলন করা শুধু জরুরীই নয় বরং তা ফরজ ।আল্লাহ সরাসরি পবিত্র কোরআনে নির্দেশ দিয়েছেন, অবশ্যই করতে হবে ।
আর ফরজ তরক করলে / না মানলে / ইসলামী আন্দোলন ন করলে গুনাহ হওয়া স্বাভাবিক ।
ইসলামী আন্দোলন করতে গেলে যেই বিষয় গুলোকে প্রাধান্য দিতে হয়ঃ
১. মানুষ একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব করবে; জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মেনে চলবে। আল্লাহর আইনের ভিত্তিতেই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল দিক পরিচালিত হবে।
২. মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আদর্শ নেতা রূপে মেনে চলার সুযোগ পাবে।
৩. সৎ ও চরিত্রবান লোকেরা শাসন কর্তৃত্বের পরিচালক হবে এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের কোন স্থান থাকবে না।
৪. আদল ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা : কেউ কারো প্রতি কোন ধরনের অন্যায় আচরণ করবে না।
৫. রাষ্ট্র পরিচালিত হবে পরামর্শভিত্তিক এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে শাসক নির্বাচিত হবে। ক্ষমতাসীনরা স্বৈরাচারী বা স্বেচ্ছাচারী হবেন না। তারা মানুষের কল্যাণে সদাসচেষ্ট থাকবেন।
৬. সমাজ থেকে অপরাধ ও দরিদ্রতা দূর করা হবে উক্ত সমাজের অন্যতম লক্ষ্য।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে পরিষ্কার যে, ইসলামের লক্ষ্য হচ্ছে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে শান্তি ও কল্যাণকর সুন্দর একটি সমাজ উপহার দেয়া। তবে কোন দেশের অধিকাংশ মানুষ উক্ত আদর্শের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন না করলে জোরপূর্বক ইসলামী আদর্শ চাপিয়ে দেয়া আল্লাহর বিধান নয়। অনেক নবী ও রাসূল আল্লাহর পথে মানুষকে দাওয়াত দিয়েছেন সত্য কিন্তু অধিকাংশ মানুষ সেই দাওয়াত কবুল না করায় আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে পারেননি। এক্ষেত্রে হযরত নূহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি প্রায় সাড়ে নয়শত বছর আল্লাহর পথে মানুষদেরকে আহবান জানানোর পর মাত্র চল্লিশ কিংবা মতান্তরে ৮০ জন মানুষ তাঁর আহবানে সাড়া দিয়েছিলেন।
আমার মনে হয় বর্তমানে পৃথিবীর যেসকল দেশে ইসলামী আন্দোলনের কার্যক্রম চলছে তাদের আসল বক্তব্য সাধারণ মানুষের কাছে পুরোপুরি সুস্পষ্ট নয়। তাই তারা সহজেই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এর একটি উদাহরণ হচ্ছে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলে মনে করা হয় উক্ত সমাজের মূল কাজ হচ্ছে চোরের হাত কাটা। অথচ ইসলামী সমাজব্যবস্থার মূল টার্গেট চোরের হাত কাটা নয়। মূল টার্গেট হচ্ছে দরিদ্রতা বিমোচন করা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ উপহার দেয়া। দরিদ্রতা বিমোচন করার পর কেউ অভাবের পরিবর্তে স্বভাবের কারণে চুরি করলেই ইসলামী দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে। এই কারণেই হজরত উমর ফারুক (রা) এর সময়ে একজন ব্যক্তি অভাবের কারণে চুরি করলে হজরত উমর তার হাত কাটার নির্দেশের পরিবর্তে নিজেকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিজেই ঘোষণা করেছিলেন যে, ‘ফোরাতের তীরে একটি কুকুর না খেয়ে মারা গেলে আমাকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’
আসুন আমরা যারা নামায পড়ি , আল্লাহর হুকুম আহকাম মেনে চলার চেষ্টা করি , আজ থেকে / এখন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হই । আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমিন।

বুধবার, ৩ জুন, ২০১৫

ক্যাম্রা ম্যান, নায়ক , গাড়ির চালক, দর্শক,মিডিয়া, সব রেডি, এবার হবে মূল পর্ব,

পরিচালক হাছিনা... একশনঃ সুন্দর করে নায়ক একটি মালবাহি গাড়িতে আগুন দিতে যাচ্ছেন,
ভিডিও ম্যানঃ আরেক টু আসতে দেন, তারপর চারিদিক হতে ক্লিক, এক সাথে শত পিকচার।

মিডিয়া ম্যানঃ এই তো দেখুন আজ মালবাহি গাড়িতে জামায়াত শিবির আগুন দিয়ে তাণ্ডব করেছে, দেশের হাজার কোটি টাকা লস ...... ব্লা ব্লা ব্লা ... ।

চালকঃ দাড়িয়ে দেখতেছে কেমনে গাড়িতে আগুন দেয়া হয় ।যাতে আগামীতে নিজেই নায়ক (ছাত্রলীগ) হতে পারে ।

শুশীলঃ দেখছেন দেশ টাকে কি করতেছে ? ফাঁসি ছাড়া কথা নাই !

ব্যবসায়িঃ আমরা কেমনে ব্যবসা করব, আপনারা কিছু একটা করেন !

প্রশাসন , ওরা বোমাটা আমাদের উপর মেরেছিল , আমরা সরে যেতেই তা গাড়িতে গিয়ে পড়ে , আমরা সন্দেহজনক ৫ জন জামায়াত শিবিরকে তাদের বাসা থেকে গ্রেফতার করেছি ! তখন তারা গুমাচ্ছিলো ,  তালিকায় আরও জামায়াত শিবিরের নাম আছে ।

দর্শকঃ আচ্ছা সরকার আমাদেরকে এতো বেকুব মনে করে কেন ? ওদের কি ধারনা আমরা কিচ্ছু বুঝি না । আমাদেরকে দেখানোর জন্য হোক / জামায়াতকে ফাঁসানোর জন্যই হোক না কেন , এতো গুলো মানুষকে জীবন্ত ফুঁড়ে মারার কি দরকার ?
এমনিতেই সরকার যা করছে , তাতে কি কেউ বাঁধা দিচ্ছে ?কেউ কি প্রতিবাদ করছে ?
 তবে কেন এই সব নাটক করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে ? সাধারণ পাবলিকের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেলে না জানি কবে আবার মেজর ডালিমের জন্ম হয়ে যায় ?
শুধু ক্ষমতার জন্য মানুষ হত্যা ?

 আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি মিড়িয়ার সহযোগিতায় , পুলিশের পাহারায় , মোটর সাইকেল দাঁড় করিয়ে সাংবাধিক আগুনের অপেক্ষা করছে অতচ ঐ সাংবাধিকই মিথ্যা প্রচার করছে।  গাড়ীতে পেট্রোল বোমা কারা মারছে তা জেনেও দেশের মানুষকে ওরা ভুল তথ্য দিচ্ছে ।

এই সকল দালাল মিডিয়াগুলোর বিচার কি বাংলার মাটিতে হবে না ? 

শনিবার, ৩০ মে, ২০১৫

আসসালামু আলাইকুম।

শবে বরাত কি এবং কেন বিদাআতঃ 

‘শব’ ফারসি শব্দ। অর্থ রাত বা রজনী। বরাত শব্দটিও মূলে ফারসি। অর্থ ভাগ্য। দু’শব্দের একত্রে অর্থ হবে, ভাগ্য-রজনী। বরাত শব্দটি আরবি ভেবে অনেকেই ভুল করে থাকেন। কারণ ‘বরাত’ বলতে আরবি ভাষায় কোন শব্দ নেই।
যদি বরাত শব্দটি আরবি বারা’আত শব্দের অপভ্রংশ ধরা হয় তবে তার অর্থ হবে— সম্পর্কচ্ছেদ বা বিমুক্তিকরণ। কিন্তু কয়েকটি কারণে এ অর্থটি এখানে অগ্রাহ্য, মেনে নেয়া যায় না- যেমন
ইরশাদ হয়েছে : بَرَاءَةٌ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ (التوبة: ১) অর্থ : আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা। (সূরা তাওবা, ১)

আগের শব্দটি ফারসি হওয়ায় ‘বরাত’ শব্দটিও ফারসি হবে, এটাই স্বাভাবিক ।

এ রাত্রির ফযীলত সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোন দলীল নেই। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রাত্রিতে কোন সুনির্দিষ্ট ইবাদত করেছেন বলে সহীহ হাদীসে প্রমাণিত হয়নি। অনুরূপভাবে তার কোন সাহাবী থেকেও কিছু বর্ণিত হয়নি।

মুলত সহীহ হাদীসে সুস্পষ্ট এসেছে যে, “আল্লাহ তা‘আলা প্রতি রাতের শেষাংশে – শেষ তৃতীয়াংশে- নিকটবর্তী আসমানে অবতীর্ণ হয়ে আহবান জানাতে থাকেন ‘এমন কেউ কি আছে যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দেব? এমন কেউ কি আছে যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে দেব? আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?” [বুখারী, হাদীস নং ১১৪৫, মুসলিম হাদীস নং ৭৫৮]

এ রাত্রি কি ভাগ্য রজনী?
না, এ রাত্রি ভাগ্য রজনী নয়, মূলতঃ এ রাত্রিকে ভাগ্য রজনী বলার পেছনে কাজ করছে সূরা আদ-দুখানের ৩ ও ৪ আয়াত দু’টির ভূল ব্যাখ্যা।
তা হলোঃ
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ* فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ – سورة الدخان:3ـ4
আয়াতদ্বয়ের অর্থ হলোঃ “অবশ্যই আমরা তা (কোরআন) এক মুবারক রাত্রিতে অবতীর্ণ করেছি, অবশ্যই আমরা সতর্ককারী, এ রাত্রিতে যাবতীয় প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়”।
আল্লামা ইবনে কাসীর (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আলোচ্য আয়াতে ‘মুবারক রাত্রি’ বলতে ‘লাইলাতুল ক্বাদর বুঝানো হয়েছে, যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ – سورةالقدر:1
আমরা এ কোরআনকে ক্বাদরের রাত্রিতে অবতীর্ণ করেছি। (সূরা আল-কাদরঃ১)।
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেনঃ
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ- سورة البقرة:185
রমযান এমন একটি মাস যাতে কোরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। (সূরা আলবাকারাহঃ১৮৫)।
অর্থাৎ স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে , কোরআনে যেই রাতের কথা ব্লা হয়েছে , তা হচ্ছে কদর রাত । যা রামাজান মাসে শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোতে রয়েছে।

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বহু সহীহ হাদীসে প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি শা‘বান মাসে সবচেয়ে বেশী রোযা রাখতেন। (এর জন্য দেখুনঃ বুখারী, হাদীস নং ১৯৬৯, ১৯৭০, মুসলিম, হাদীস নং ১১৫৬, ১১৬১, মুসনাদে আহমাদ ৬/১৮৮, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ২৪৩১, সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস নং ২০৭৭, সুনানে তিরমিঝি, হাদীস নং ৬৫৭)।

সে হিসাবে যদি কেউ শা‘বান মাসে রোযা রাখেন তবে তা হবে সুন্নাত। শাবান মাসের শেষ দিন ছাড়া বাকী যে কোন দিন রোযা রাখা জায়েয বা সওয়াবের কাজ।

তবে রোজা রাখার সময় মনে করতে হবে যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু শা‘বান মাসে রোজা রেখেছিলেন তাকে অনুসরন করে রোযা রাখা হচ্ছে। নিয়ত সহীহ হওয়া জ্রুরী ।

অথবা যদি কারও আইয়ামে বিদের নফল রোযা তথা মাসের ১৩,১৪,১৫ এ তিনদিন রোযা রাখার নিয়ম থাকে তিনিও রোযা রাখতে পারেন।

কিন্তু শুধুমাত্র শা‘বানের পনের তারিখ রোযা রাখা বিদ‘আত হবে। কারণ শরীয়তে এ রোযার কোন ভিত্তি নেই।

ইবাদত করার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো আকিদা রক্ষা করা , মানে যার ইবাদত করবেন তার উপর বিশ্বাস রাখা । আমাদের দেশে অনেকেই বলে থাকেন আমাদের বাপ-দাদারা এই সব পালন করে এসেছেন তাই আমরাও করি ।

এরমানে আল্লাহ কি চাইছেন সেটা আপনাদের কাছে বড় নাকি বাপ-দাদাদের দেখানো পথ বড় ? যেই যুক্তি আবুজেহেলও দেখিয়েছিলেন । আল্লাহর রাসুল(সা) যদি পালন করতেন তবে আমরাও করতাম ।

আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর রাসূলের পরিপূর্ণ পদাঙ্ক অনুসরন করে চলার তৌফিক দিন। আমীন।


মনে হচ্ছে পাঞ্জাবী এবং মাদ্রাসাই পুলিশের শুত্রু ।

ছোট্ট এই বাবুটি কি বুঝে আওয়ামী লীগ , বিএনপি , জামায়াত সম্পর্কে ? হয়তো তার বাবা- মা নাই এতিম অথবা তার বাবা- মা শখ করে বাবুটিকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছেন দেশের একজন আলেম বানানোর জন্য অথবা একজন হাফেজ ।

কিন্তু পুলিশ কি কারনে এই বাবুটির দিকে হায়েনার মতো তেড়ে আসছে ? শিশুরা নিষ্পাপ । তাদের দোয়া আল্লাহর কাছে অবশ্যই কবুল হয়ে যাবে ।

হুঁশিয়ার হয়ে যান , আল্লাহর আজাব আসার আগেই ।
আমরা যারা আজ এসএসসি পাশ করেছি ।

চাই শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ , সন্ত্রাস মুক্ত ক্যাম্পাস
ফিরে যাতে চাই না , হয়ে লাশ ।

আমিও ভাল রেজাল্ট নিয়ে পাশ করেছি , আমারও আশা আছে ভাল একটা কলেজে ভর্তি হওয়ার । ভালভাবে পড়াশুনা করে এই দেশের উন্নয়নে ভুমিকা রাখার ।
কিন্তু আমরা কি আসলেই সেই সুষ্ঠ পরিবেশ পাচ্ছি ? আমরা কি নিজেকে গড়তে পারবো সঠিক ভাবে ? এই নিশ্চয়তা আমাদেরকে কি কেউ দিতে পারবেন ?

হয়তো ভাবছেন আমরা ভয় পাচ্ছি কেন ?
হ্যাঁ আমরা ভয় পাচ্ছি ।
 ভয় পাচ্ছি পত্রিকার শিরোনাম দেখে , ভয় পাচ্ছি টিভি মিডিয়ার শিরোনাম দেখে , আমরা ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে , ওরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির গায়ে , কলেজ অধ্যক্ষের গায়ে হাত তুলতে পারে তখন আমরা তো এক একজন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী । আমাদের কি হবে ?
আমরা আতঙ্কিত , আমরা ভাবতে পারছিনা যে, আমরা কি পড়ালেখা শেষ করতে পারবো নাকি আমাদের জীবনের সমাপ্তি ক্যাম্পাসেই হয়ে যাবে ?

আমরা কি ফিরে যেতে পারবো মায়ের কোলে , না হয়ে লাশ ?