মাননীয় বিচারপতিগণ, আল্লাহ্ আপনাদেরকে এই দুনিয়ায় অনেক সম্মান
দিয়েছেন। একজন মন্ত্রী বা এমপি এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো
অনিয়মের অভিযোগ উঠলে মি
ডিয়া তাদেরকে
একচুলও ছাড়ে না, সঙ্গে সঙ্গে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে। কিন্তু আপনাদের
বিরুদ্ধে যতই অভিযোগ উঠুক, যথেষ্ট প্রমাণ হাতে না পেলে মিডিয়া অভিযোগের
সেই ব্যাপারগুলো নিয়ে তেমন নাড়াচাড়া করে না, কারন আপনারা অনেক সম্মানিত।
আপনারাই যদি সমাজে, জনমানুষের কাছে বিতর্কিত হয়ে পড়েন, তাহলে মানুষ আর
কাদের প্রতি ভরসা রাখবে?
আজ আপনারা ইতিহাসের এমন একটি সোপানে দাঁড়িয়ে আছেন, যেটা যেকোন ব্যক্তির জন্য একটি 'চূড়ান্ত পরীক্ষার সোপান' বললে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে জান্নাতই হবে আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার, আবার অনুত্তীর্ণ হলে নিশ্চিত জাহান্নাম তো আছেই, সঙ্গে সারা পৃথিবীর মানুষের দুয়ো ধ্বনি এবং সারা জীবন চরম লাঞ্ছনা। মনে রাখবেন, আপনারা এমন একজনের রায় দেয়ার জন্য মনস্থির করেছেন, যিনি অন্য আর আট-দশটা মানুষের মতো সাধারন কেউ নন, যিনি পৃথিবীর কোটি-কোটি মানুষের কাছে 'কুরআনের বুলবুল' নামে খ্যাত। যার অন্তর এবং ব্রেইন মহাগ্রন্থ আল কুরআনের পবিত্র সব আয়াত এবং তাঁর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দিয়ে ভরা। তাঁর কণ্ঠে রয়েছে এমন বিপ্লবী ঝাঁজ, যার একেকটি শব্দ শুনলে মনে হয় যেন কোনো অগ্নিলাভা থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে ছিটকে বেরোচ্ছে, তিনি যখন কুরআন তেলাওয়াত করেন তখন মনে হয় যেন আকাশ থেকে এই মুহূর্তে কুরআন নাযিল হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ জনতা মন্ত্রমুগ্ধের মতো সেই তেলাওয়াত শ্রবন করেন। তিনি সত্যিই সাধারন কেউ নন।
তাঁর বর্তমান বয়স ৭০, এই ৭০ বছরের মধ্যে তাঁর জীবনের মাঝখানের ১টি বছর ছাড়া বাকি ৬৯টি বছর নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ সামান্য একটি সুতা চুরিরও অভিযোগ করেনি। ভাবখানা এমন, ঐ একটি বছরই তিনি যাবতীয় সব অপকর্ম করে ফেলেছেন, আর জীবনের বাকি ৬৯ বছর তিনি একেবারে সাধু সেজে বাবুগিরি করছেন! তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো করলো কারা? যাদের নিজেদেরই বিরুদ্ধে গণমানুষের হাজার হাজার অপকর্ম সংঘটনের অভিযোগ আছে, তারাই আজ মানবতার বন্ধু সেজে একটি বিপ্লবী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করে দিতে চায়। সে যাই হোক তাঁর বিরুদ্ধে যখন কিছু অভিযোগ উঠেছেই, তখন নিশ্চয় তার একটা ফায়সালা অবশ্যই করা উচিত। আর সে ফায়সালার দায়িত্ব পেয়েছেন আপনারা মাননীয় বিচারপতি। আপনারাই আজ ফায়সালা করুন নিজেদের বিবেক দিয়ে, নিজেদের সততা দিয়ে, মন থেকে সমস্ত কপটতা মুছে ফেলে দিয়ে আপনারাই আজ তাঁর বিচার করুন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা এই বিচারের রায় ঘোষণা করার আগেই 'কুরআনের বুলবুল' খ্যাত মানুষটির জন্য ইতোমধ্যেই ৪ থেকে ৫টি তাজা প্রাণ তাদের জীবনকে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। জীবন দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে আরো ১৫ থেকে ২০ লাখ তাজা প্রাণ। আপনারা আজ আপনাদের বিবেককে বুঝুন, একটু অনুভব করুন, একজন মাত্র মানুষের জন্য লক্ষ লক্ষ তাজা প্রাণ আজ হাসিমুখে জীবন দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে, দেশের বিবদমান দুটি পক্ষ আজ এক নিশ্চিত যুদ্ধের মুখোমুখি, লক্ষ প্রাণের হতাহতের এক চরম আশঙ্কা। তারপরেও কি আপনারা সেই মানুষটিকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দিয়ে আপনাদের নফসের খায়েশ মিটিয়েই ছাড়বেন? আপনাদের হটকারী একটি সিদ্ধান্তে একজন মানুষের জন্য লক্ষ প্রাণ ঝরে যাক, এটা কি আপনারা চান?
আজ রায়ের তারিখ নির্ধারণের ক্ষণ ছিল, কিন্তু কোন এক অজানা আশঙ্কায় আপনারা সেই তারিখ নির্ধারণের সাহস দেখাননি। আল্লাহ্ সুবহানাহু তা'আলার সে কি এক আশ্চর্য মোজেজা, আজ স্বয়ং আপনারাই বিদেশী এক পত্রিকার কারনে বিতর্কিত হয়ে গেলেন। কি সব গোপন কথাবার্তা নাকি ঐ বিদেশী পত্রিকার হাতে আছে, যে কোন মুহূর্তে নাকি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে! আল্লাহই ভালো জানেন। আপনারা বিতর্কিত হোন, এটা আমরা চাই না, আমরা চাই আপনারা নিজেদের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে একমাত্র মহান আল্লাহ্ তা'আলাকে ভয় করে সত্যকে উদ্ভাসিত করবেন, এটাই আমাদের চাওয়া। মিথ্যার বোঝা নিয়ে একটি মানুষ কখনো সাড়া জীবন কাটাতে পারেনা। আপনারা সেই মানুষটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমস্ত অভিযোগ গুলোকে আপনাদের সত্য রায়ের মাধ্যমে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবেন, এটাই আমাদের দাবী।
রায় দেয়ার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিটির এই কথাগুলি বারবার স্মরণে রাখবেন,
''আমার বিরুদ্ধে যে ২০টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার
একটিও যদি সত্য হয় তাহলে আমি যেন ঈমান নিয়ে মরতে না পারি। রোজ কিয়ামতের দিন যেন রসুল (সা.) এর শাফায়াত আমি না পাই। আর যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে তারা যদি তওবা না করে এবং তওবা যদি তাদের নসিব না হয় তাহলে গত দুইটি বছর
আমি এবং আমার সন্তানরা যে যন্ত্রণা ভোগ করেছি, আমার যে পরিমাণ চোখের পানি ঝরেছে, আমার সন্তানদের যে চোখের পানি ঝরেছে, তার প্রতিটি ফোটা অভিশাপের বহ্নিশিখা হয়ে আমার থেকে শতগুণ যন্ত্রণা এবং কষ্ট ভোগের আগে যেন তাদের মৃত্যু না হয়। আর জাহান্নাম হয় যেন তাদের চির ঠিকানা। যদি আমার প্রতি জুলুম করা হয় তাহলে এ বিচারের দুইটি পর্ব হবে। আজ এখানে একটি পর্ব শেষ হবে। আর কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর দরবারে আরেকটি বিচার বসবে। সেই বিচারে আমি হব বাদী। আর আমার বিরুদ্ধে যারা জুলুম করেছে তারা হবে আসামী।''
আপনাদেরকে আরো একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, এখন কিন্তু একবিংশ শতাব্দী চলছে, এটা বিংশ শতাব্দী নয় যে চাইলেই সাইয়েদ কুতুব-এর মতো এক বিশাল ব্যক্তিত্বের ফাঁসি হয়ে যাবে, আর মানুষজন সব হাঁধারামের মতো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে। হাসানুল বান্নার মতো শতাব্দী শ্রেস্ট একটি মানুষ নিহত হয়ে যাবে আর তাঁর অনুসারীরা সব হাত-পা গুটিয়ে তাসবিহর দানা গুনে গুনে ইয়া নফসি ইয়া নফসি জিকির করবে!!! বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবী অনেক কালজয়ী মানুষ পেয়েছিল, সেইজন্য বুঝি একজনের বিয়োগে মানুষের মধ্যে তাঁর শুন্যতা তেমন অনুভব হতো না। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে কালজয়ী মানুষের সংখ্যা একদম হাতেগোনা, তাদের একজনের বিয়োগে গণমানুষ তাদের মাথাটা পিচঢালা পথে রেখে আসতে সামান্যটুকুও দ্বিধা করবে না, ইনশাল্লাহ।
অতএব তথাকথিত কিছু মানবতাবাদি মানুষের কেওয়াজে নিজেদের হুঁশ হারাবেন না। লক্ষ লক্ষ তরুণের কলিজার আগুন দেখুন, তাদের অশ্রসিক্ত সাথে বিস্ফারিত চোখ গুলো দেখুন। আপনাদের একটি মাত্র সঠিক সিদ্ধান্তে দেশ ভয়াবহ এক যুদ্ধ থেকে বেঁচে যাবে, দুটি বিবদমান পক্ষের মধ্যে ঐক্যের সুর বেজে উঠবে। নিজের স্বদেশীর প্রতি বছরের পর বছর যে ঘৃনা ডালপালা মেলে বড় হয়েছে, আপনাদের একটি মাত্র সঠিক সিদ্ধান্তের কারনে সেই ঘৃনা শিকড় শুদ্ধ মাটি থেকে উঠে যাবে। আপনাদের প্রতি শুভ কামনা রইলো।
আরশে আযিমের উপর থেকে আল্লাহ্ সব দেখছেন, এই অনুভুতিই আপনাদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করুন, আমিন।
আজ আপনারা ইতিহাসের এমন একটি সোপানে দাঁড়িয়ে আছেন, যেটা যেকোন ব্যক্তির জন্য একটি 'চূড়ান্ত পরীক্ষার সোপান' বললে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে জান্নাতই হবে আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার, আবার অনুত্তীর্ণ হলে নিশ্চিত জাহান্নাম তো আছেই, সঙ্গে সারা পৃথিবীর মানুষের দুয়ো ধ্বনি এবং সারা জীবন চরম লাঞ্ছনা। মনে রাখবেন, আপনারা এমন একজনের রায় দেয়ার জন্য মনস্থির করেছেন, যিনি অন্য আর আট-দশটা মানুষের মতো সাধারন কেউ নন, যিনি পৃথিবীর কোটি-কোটি মানুষের কাছে 'কুরআনের বুলবুল' নামে খ্যাত। যার অন্তর এবং ব্রেইন মহাগ্রন্থ আল কুরআনের পবিত্র সব আয়াত এবং তাঁর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দিয়ে ভরা। তাঁর কণ্ঠে রয়েছে এমন বিপ্লবী ঝাঁজ, যার একেকটি শব্দ শুনলে মনে হয় যেন কোনো অগ্নিলাভা থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে ছিটকে বেরোচ্ছে, তিনি যখন কুরআন তেলাওয়াত করেন তখন মনে হয় যেন আকাশ থেকে এই মুহূর্তে কুরআন নাযিল হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ জনতা মন্ত্রমুগ্ধের মতো সেই তেলাওয়াত শ্রবন করেন। তিনি সত্যিই সাধারন কেউ নন।
তাঁর বর্তমান বয়স ৭০, এই ৭০ বছরের মধ্যে তাঁর জীবনের মাঝখানের ১টি বছর ছাড়া বাকি ৬৯টি বছর নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ সামান্য একটি সুতা চুরিরও অভিযোগ করেনি। ভাবখানা এমন, ঐ একটি বছরই তিনি যাবতীয় সব অপকর্ম করে ফেলেছেন, আর জীবনের বাকি ৬৯ বছর তিনি একেবারে সাধু সেজে বাবুগিরি করছেন! তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো করলো কারা? যাদের নিজেদেরই বিরুদ্ধে গণমানুষের হাজার হাজার অপকর্ম সংঘটনের অভিযোগ আছে, তারাই আজ মানবতার বন্ধু সেজে একটি বিপ্লবী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করে দিতে চায়। সে যাই হোক তাঁর বিরুদ্ধে যখন কিছু অভিযোগ উঠেছেই, তখন নিশ্চয় তার একটা ফায়সালা অবশ্যই করা উচিত। আর সে ফায়সালার দায়িত্ব পেয়েছেন আপনারা মাননীয় বিচারপতি। আপনারাই আজ ফায়সালা করুন নিজেদের বিবেক দিয়ে, নিজেদের সততা দিয়ে, মন থেকে সমস্ত কপটতা মুছে ফেলে দিয়ে আপনারাই আজ তাঁর বিচার করুন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা এই বিচারের রায় ঘোষণা করার আগেই 'কুরআনের বুলবুল' খ্যাত মানুষটির জন্য ইতোমধ্যেই ৪ থেকে ৫টি তাজা প্রাণ তাদের জীবনকে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। জীবন দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে আরো ১৫ থেকে ২০ লাখ তাজা প্রাণ। আপনারা আজ আপনাদের বিবেককে বুঝুন, একটু অনুভব করুন, একজন মাত্র মানুষের জন্য লক্ষ লক্ষ তাজা প্রাণ আজ হাসিমুখে জীবন দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে, দেশের বিবদমান দুটি পক্ষ আজ এক নিশ্চিত যুদ্ধের মুখোমুখি, লক্ষ প্রাণের হতাহতের এক চরম আশঙ্কা। তারপরেও কি আপনারা সেই মানুষটিকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দিয়ে আপনাদের নফসের খায়েশ মিটিয়েই ছাড়বেন? আপনাদের হটকারী একটি সিদ্ধান্তে একজন মানুষের জন্য লক্ষ প্রাণ ঝরে যাক, এটা কি আপনারা চান?
আজ রায়ের তারিখ নির্ধারণের ক্ষণ ছিল, কিন্তু কোন এক অজানা আশঙ্কায় আপনারা সেই তারিখ নির্ধারণের সাহস দেখাননি। আল্লাহ্ সুবহানাহু তা'আলার সে কি এক আশ্চর্য মোজেজা, আজ স্বয়ং আপনারাই বিদেশী এক পত্রিকার কারনে বিতর্কিত হয়ে গেলেন। কি সব গোপন কথাবার্তা নাকি ঐ বিদেশী পত্রিকার হাতে আছে, যে কোন মুহূর্তে নাকি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে! আল্লাহই ভালো জানেন। আপনারা বিতর্কিত হোন, এটা আমরা চাই না, আমরা চাই আপনারা নিজেদের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে একমাত্র মহান আল্লাহ্ তা'আলাকে ভয় করে সত্যকে উদ্ভাসিত করবেন, এটাই আমাদের চাওয়া। মিথ্যার বোঝা নিয়ে একটি মানুষ কখনো সাড়া জীবন কাটাতে পারেনা। আপনারা সেই মানুষটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমস্ত অভিযোগ গুলোকে আপনাদের সত্য রায়ের মাধ্যমে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবেন, এটাই আমাদের দাবী।
রায় দেয়ার আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিটির এই কথাগুলি বারবার স্মরণে রাখবেন,
''আমার বিরুদ্ধে যে ২০টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার
একটিও যদি সত্য হয় তাহলে আমি যেন ঈমান নিয়ে মরতে না পারি। রোজ কিয়ামতের দিন যেন রসুল (সা.) এর শাফায়াত আমি না পাই। আর যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে তারা যদি তওবা না করে এবং তওবা যদি তাদের নসিব না হয় তাহলে গত দুইটি বছর
আমি এবং আমার সন্তানরা যে যন্ত্রণা ভোগ করেছি, আমার যে পরিমাণ চোখের পানি ঝরেছে, আমার সন্তানদের যে চোখের পানি ঝরেছে, তার প্রতিটি ফোটা অভিশাপের বহ্নিশিখা হয়ে আমার থেকে শতগুণ যন্ত্রণা এবং কষ্ট ভোগের আগে যেন তাদের মৃত্যু না হয়। আর জাহান্নাম হয় যেন তাদের চির ঠিকানা। যদি আমার প্রতি জুলুম করা হয় তাহলে এ বিচারের দুইটি পর্ব হবে। আজ এখানে একটি পর্ব শেষ হবে। আর কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর দরবারে আরেকটি বিচার বসবে। সেই বিচারে আমি হব বাদী। আর আমার বিরুদ্ধে যারা জুলুম করেছে তারা হবে আসামী।''
আপনাদেরকে আরো একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, এখন কিন্তু একবিংশ শতাব্দী চলছে, এটা বিংশ শতাব্দী নয় যে চাইলেই সাইয়েদ কুতুব-এর মতো এক বিশাল ব্যক্তিত্বের ফাঁসি হয়ে যাবে, আর মানুষজন সব হাঁধারামের মতো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে। হাসানুল বান্নার মতো শতাব্দী শ্রেস্ট একটি মানুষ নিহত হয়ে যাবে আর তাঁর অনুসারীরা সব হাত-পা গুটিয়ে তাসবিহর দানা গুনে গুনে ইয়া নফসি ইয়া নফসি জিকির করবে!!! বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবী অনেক কালজয়ী মানুষ পেয়েছিল, সেইজন্য বুঝি একজনের বিয়োগে মানুষের মধ্যে তাঁর শুন্যতা তেমন অনুভব হতো না। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে কালজয়ী মানুষের সংখ্যা একদম হাতেগোনা, তাদের একজনের বিয়োগে গণমানুষ তাদের মাথাটা পিচঢালা পথে রেখে আসতে সামান্যটুকুও দ্বিধা করবে না, ইনশাল্লাহ।
অতএব তথাকথিত কিছু মানবতাবাদি মানুষের কেওয়াজে নিজেদের হুঁশ হারাবেন না। লক্ষ লক্ষ তরুণের কলিজার আগুন দেখুন, তাদের অশ্রসিক্ত সাথে বিস্ফারিত চোখ গুলো দেখুন। আপনাদের একটি মাত্র সঠিক সিদ্ধান্তে দেশ ভয়াবহ এক যুদ্ধ থেকে বেঁচে যাবে, দুটি বিবদমান পক্ষের মধ্যে ঐক্যের সুর বেজে উঠবে। নিজের স্বদেশীর প্রতি বছরের পর বছর যে ঘৃনা ডালপালা মেলে বড় হয়েছে, আপনাদের একটি মাত্র সঠিক সিদ্ধান্তের কারনে সেই ঘৃনা শিকড় শুদ্ধ মাটি থেকে উঠে যাবে। আপনাদের প্রতি শুভ কামনা রইলো।
আরশে আযিমের উপর থেকে আল্লাহ্ সব দেখছেন, এই অনুভুতিই আপনাদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করুন, আমিন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন